মতামত

সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসায় দুষ্পাপ্য অ্যান্টিভেনম

অ্যান্টিভেনম। সাপে কামড়ানো রোগীদের চিকিৎসার ওষুধ। ইদানিং সরকারি হাসপাতালগুলোতে এই ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি কেন্দ্রীয় ঔষধাগারেও এই ওষুধের মজুদ নেই। যে গুলো আছে, সেগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ।
মে থেকে সেপ্টেম্বর- এই সময় কালেই সাপে কাটার ঘটনা ঘটে বেশী। ন্যাশনাল হেলথ ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী সম্প্রতি বন্যা কবলিত ১৯ জেলায় ১২০ জনকে সাপে কামড়ায়। এর মধ্যে ২৩ জন মারা যান। যাঁরা মারা গেছেন, তাঁরা হয়তো সময়মত ওষুধ পেলে বেঁচে যেতেন।
সাপ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং চিকিৎসার ওষুধ কেনার মূল দায়িত্ব স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক ব্যাধিকর্মসূচীর। অথচ তারা ওষুধ কেনে নি বলে এই ওষুধ পাওয়া যাচ্ছেনা। এটা দায়িত্বহীনতা ছাড়া আর কিছু নয়। বিষয়টি স্বাস্থ্য খাতের অব্যবস্থা ও বিশৃংখলার চিত্রই তুলে ধরেছে।
সাপের বিষ শরীরে প্রবেশ করলে সে চিকিৎসার বিজ্ঞানসম্মত ওষুধ একটাই এর অ্যান্টিভেনম। সাপে কাটা একজন রোগীকে সুস্থ করতে ১০টি অ্যান্টিভেনম ইনজেকশনের প্রয়োজন পড়ে। ফলে ওষুধ পাওয়া না যাওয়ার মানে চিকিৎসা বন্ধ থাকা। সরাকারের একটি প্রতিষ্ঠানের শুধু ওষুধ কিনতে অবহেলার কারনে সাপে কাটা রোগীরা মারা যাবেন এটা মেনে নেয়া যায় না। বিষয়টির তদন্ত হওয়া উচিত।
সাপে কাটা রোগীদের প্রয়োজনীয় ওষুধের যোগান নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জরুরী ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থা করতে হবে। কেন্দ্রীয় ঔষাধাগারেও যাতে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম থাকে সে ব্যবস্থাও করতে হবে।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

সম্পাদক:

বিপুল রায়হান

১৩/২ তাজমহল রোড, ব্লক-সি, মোহাম্মদপুর,ঢাকা-১২০৭, ফোন : 01794725018, 01847000444 ই-মেইল : info@jibonthekenea.com অথবা submissions@jibonthekenea.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত জীবন থেকে নেয়া ২০১৬ | © Copyright Jibon Theke Nea 2016

To Top