ঢাকা ,  শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭,  ৭ আশ্বিন ১৪২৪

জাতীয়

হয়ে গেল ‘জীবন থেকে নেয়া’র অনলাইন উদ্বোধন

আজ সাপ্তাহিক ‘জীবন থেকে নেয়া’ পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের উদ্বোধনে সরকারের মাননীয় অর্থমন্ত্রীর থাকবার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণে তিনি উপস্থিত হতে পারেন নি । তবে তিনি একটি ভিডিও বক্তব্য পাঠান, যা প্রদর্শিত হয় । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি জনাব মুহম্মদ শফিকুর রহমান । সিনিয়র সাংবাদিক আবেদ খান ও ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, লেখক শাহরিয়ার কবিরের উপস্থিত থাকবার কথা থাকলেও তারা ব্যক্তিগত কারণে উপস্থিত হতে পারেন নি ।
অনুষ্ঠানটির শুরুতেই দেখানো হয় জীবন থেকে নেয়ার ভিশন স্টেটমেন্ট ভিডিও, যাতে এর মৌল আকাংক্ষাগুলোর একটা ভিডিওরূপের প্রদর্শন ছিল ।
এরপর উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর গান ‘এ খাঁচা ভাংবো আমি কেমন করে’র পরিবেশনা হয় ।
তার বাদে অনুষ্ঠানের উপস্থাপিকা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সঙ্গীতা ইমাম অনুষ্ঠান শুরু করেন । শুরুতেই তিনি বলেন, ‘জীবন থেকে নেয়া’ বাঙ্গালীর জীবনে ওতপ্রোতভাবে জড়িত । আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলাম জহির রায়হানের ‘জীবন থেকে নেয়া’তে । আর তার ছেলের হাতে প্রকাশিত ‘জীবন থেকে নেয়া’তে পাব স্বাধীন বাংলাদেশে আমাদের চলবার দিকনির্দেশনা । পাব বস্তুনিষ্ঠ খবরের পূর্ণ বিশ্লেষণ ।
এরপর প্রদর্শিত হয় মাননীয় অর্থমন্ত্রীর ভিডিও শুভেচ্ছা বক্তব্যা, তাতে তিনি বলেন, ‘জীবন থেকে নেয়া’ সাপ্তাহিক হিসেবে জুলাই মাসে আত্মপ্রকাশ করেছে । আর আজ এর একটা লৌকিক উন্মোচন করবেন বলে বিশিষ্ট ব্যক্তিরা জড়ো হয়েছেন । আমারও এখানে থাকবার কথা ছিল, কিন্তু শারিরীক অসুস্থতার কারণে আসতে পারিনি বিধায় এই ভিডিও বার্তার ব্যবস্থা । বেশ অনেকদিন হয় এর নাম শুনলেও আজ এর রহস্য ভেদ হয়েছে আমার কাছে । আর তা হচ্ছে এটি জহির রায়হানের ছেলে কর্তৃক প্রকাশিত ।
জহির আমার পরিচিত । বিশ্ববিদ্যালয়ে ও আমার দুই বছরের জুনিয়র ছিল । বিশ্ববিদ্যালয়ে আসবার আগেই ওর বেশ কয়েকটা বই বেরিয়ে গিয়েছিল । ওরা যে বছরের ছিল তাতে সে বছর আরও বেশ ক’জন প্রতিভা বেরিয়েছিল । সদ্য প্রয়াত সৈয়দ শামসুল হকও ছিল তাদের একজন ।
ওর প্রথম মুভি যখন বেরিয়েছিল, এর প্রদর্শনীতে আমিও ছিলাম ।
তারপর আমি বিদেশ চলে গেলাম, ৭১ এর পরে এসে শুনি সে গায়েব । সে তার ভাই শহীদুল্লাহ কায়সার, যিনি নিখোঁজ হয়েছিলেন, খুঁজতে বেরিয়ে সেও হারিয়ে গিয়েছিল । আমাদের ঘটে যাওয়া ট্র্যাজ়েডিগুলোর মধ্যে এটিও অন্যতম ।
জহিরের ‘জীবন থেকে নেয়া’ একাধারে সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্রিয়া করেছিল । সাংস্কৃতিক অঙ্গনে একটি নতুন যুগের সূচনা করেছিল । আর তার রাজনৈতিক দর্শনও এতে পাওয়া যায় ।
পত্রিকার জন্যে আমি আশির্বাদ করছি, এটি জহিরের মতই যশ-খ্যাতি পাক’ ।
তারপর বক্তব্য রাখেন পত্রিকাটির সম্পাদক বিপুল রায়হান । তিনি বলেন, ‘আমি আজ সকালে কেবল স্বাগত ও শুভেচ্ছা বক্তব্য দেব ভেবে ঘুম থেকে উঠছিলাম । কিন্তু আবহাওয়ার মত আমাদের পরিকল্পনাতেও রদবদল করেতে হয়েছে । আবেদ খানের ভাই, জাতীয় অধ্যাপক এম আর খানের মৃত্যুতে তিনি আসতে পারেন নি । আর সাহিত্যিক শাহরিয়ার কবির অন্যত্র ব্যস্ত হয়ে যাবার কারণে আসতে পারেন নি । তাই আমাকেই তাদের দায় নিতে হচ্ছে, তাদের কথাগুলো বলতে হচ্ছে । তবে আমরা সময়মত আমাদের ওয়েবসাইট খুলবো । আমরা গত দেড় মাস যাবত দেখতে পাচ্ছি, সারাদেশ থেকে বহু মানুষ অনেক আগ্রহ নিয়ে আমাদের অপেক্ষায় বসে আছেন । আমরা তাদের আগ্রহে সাড়া দেব ।
‘জীবন থেকে নেয়া’ ১৯৭০ এ জহির রায়হান নির্মিত ছবি । এটি কেবল একটি সিনেমা-ই নয় । একটি আকাংক্ষা-চেতনা । আর এই চেতনা আমাদের সবার মাঝেই বহমান্ । আমরা সেই চেতনা থেকেই কাগজের ‘জীবন থেকে নেয়া’র প্রকাশ করি । এর প্রথম প্রকাশ ছিল এরশাদের আমলে । প্রথমে আমরা ‘ভাষা’ নামে পরে ‘জীবন থেকে নেয়া’ নামে বেশ কদিন এর প্রকাশ করে যাই । কিন্তু আমরা এ নিয়ে এগোতে পারি নি । কারণ আমরা ডিক্লারেশন পাইনি । পরে পেয়েছিলাম, ৬ মাস তা প্রকাশিতও হয়েছিল, কিন্তু ব্যস্ততা আমাদের তা নিয়ে এগোতে দেয় নি ।
আজ, এই সময়ে আমরা আবার প্রকাশ করছি । কারণ পরিস্থিতি আবার আগের মত হয়ে গেছে । মুক্তিযুদ্ধের সময় আবার ফিরে এসেছে । আমাদের আবার দেখিয়ে দিতে হচ্ছে কারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের আর কারা এর বিপক্ষের শক্তি । প্রশ্ন হতে পারে, এত এত গণমাধ্যম থাকতে আমরা কেন, অথচ তারাও তো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কথা বলছে । এর জন্যে আমরা বলব, মূলধারার গণমাধ্যমগুলো মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের প্রতিষ্ঠানগুলোর বিজ্ঞাপন দেদার ছেপে যাচ্ছে । এটা ভন্ডামো । আমি ঘোষণা দিচ্ছি, ‘জীবন থেকে নেয়া’ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করা একটি অসাম্প্রদায়িক পত্রিকা । আমাদের অভাব ও চাহিদা থাকা সত্ত্বেও আমরা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষর কারুর কোন বিজ্ঞাপন ছাপবো না । তাছাড়া আমরা বেশ কিছু বিষয় মেনে চলব; আমরা ধর্মের বিপক্ষে নই । তবে আমরা আরবী তারিখ দিচ্ছি না , কারণ ও নিয়ে কেউ মাথায় ঘামায় না । আর তা সত্ত্বেও এটা দেয়াকে আমরা ভন্ডামো ভাবছি । ধর্ম বিষয়ক কোন লেখা আমরা ছাপবো না; আমরা বিশ্বাস করি ধর্ম একান্তই ব্যক্তিগত ব্যাপার, তাছাড়া ধর্ম জানবার জন্যে কেউ আমাদের জন্যে বসে থাকবে বলে আমরা মনে করি না । নামাজের সময় আমরা দেই নি, নামাজ পড়বার জন্যে সূর্য্য দেখা হয়, তাতে আমাদের হাত নেই ।
আমরা তরুণদের নিয়ে করছি এ পত্রিকাটি , তাদের ভাষাকে আমরা বুঝতে চাইছি । আমরা তাই ফেসবুকে ক্যাম্পেইন করে এর আরম্ভ করছি ।
আমরা অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়া এক বাংলাদেশ নির্মাণের স্বপ্ন দেখি । আমরা এতে আপনাদের পাশে চাই’।
আর তার বক্তব্যের পর ওয়েবসাইটটির উদ্বোধন করেন ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান । তারপর তিনি তার বক্তৃতায় বলেন, ‘বিপুলকে ধন্যবাদ আমাকে ডাকবার জন্যে । এটি যে প্রজন্মের কথা বলবে আমরা তাতে অপ্রাসঙ্গিক । তবু জহিরের বন্ধু হিসেবে আমাকে ডাকাতে আমি তার মর্যাদা দেবার চেষ্টা করেছি ।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতিফলনের পাশাপাশি এতে পেশাগত উকর্ষেরও প্রয়োজন আছে । পত্রিকার পেছনের সবার সমবেত্ চেষ্টায় আশা করি এটি জনমনে নজর কাড়তে সক্ষম হবে ।
বাংলাদেশের সমস্যার মূলে হচ্ছে জঙ্গীবাদ । আর এখন নতুন করে যোগ হয়েছে সাম্প্রদায়িকতা । আমাদের এসবের বিরুদ্ধে লড়তে হবে ।
স্বাধীনতার যুদ্ধ শেষ হয় না । একে ধরে রাখতে হয়, তাতেও যুদ্ধ লাগে । অথচ আমরা একে ভুলে গিয়েছিলাম আর তাই আমাদের বড় মাশুল দিতে হচ্ছে ।
আশা করছি ‘জীবন থেকে নেয়া’ এ লক্ষ্যে কাজ করে যাবে । তাদের স্বাগত’ ।
তারপর একে একে পত্রিকাটির শুভানুধ্যায়ীরা বক্তব্য দেন । বক্তব্য দিয়েছেন অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী শম্পা রেজা । তিনি বলেন, ‘কেমন যেন একটা অবস্থা চলছে , কেমন একটা ভয়ের অবস্থা ! কীসের ভয় তা আমাদের খুঁজে বের করতে হবে ! বিএনপি জামাতের সময় আমরা কথা বলতে পারি নি । তারা আমাদের লোভী করে তুলেছিল, আমরা বাড়ি চেয়েছিলাম, গাড়ি চেয়েছিলাম আর তাতেই আমরা আমাদের চেতনা বিকিয়ে দিচ্ছিলাম । আমরা আমাদের চেতনার হন্তারকদের সালাম দিতাম । কী লজ্জার কথা ! সেই সময় শিক্ষিত মানুষেরা এক পাশে চলে গিয়েছিলেন । তারা নিজেদের লুকিয়ে ফেলছিলেন । ৭১ এ যা কিছু ছিল তা থেকে আমাদের পরিকল্পিতভাবে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছিল । আমাদের চিরন্তন ভাষাকে কেমন পালটে ফেলা হচ্ছিল ।
সময় পাল্টেছে । ৭১ এ বাঙ্গালীর যে এক অপূর্ব চরিত্র দেখা গিয়েছিল, তা এখন আবার ফিরে আসছে । আমাদের একত্র হয়ে দেশের জন্যে লড়াই করতে হবে ।আমাদের যে ভুল হয়েছিল তা থেকে সরে আসবার সময় এসে গেছে । ‘জীবন থেকে নেয়া’ এ লক্ষ্যে কাজ করে যাবে, যাচ্ছে । আমরা সবাই এর সাথে থাকব ।
তারপর বক্তব্য রাখেন, সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ এ আরাফাত । তিনি বলেন, ‘আগের বক্তব্যগুলোর একটি বিষয় ভাল লেগেছে , ‘টাকার প্রয়োজনে আদর্শচ্যুতি ঘটা যাবে না’। আর ‘জীবন থেকে নেয়া’ একটি ব্যাঙ্কের সাথে কাজ না করবার যে ইচ্ছে করেছে এতেই তাদের একটা জয় এসে গেছে ।‘জীবন থেকে নেয়া’ গণমাধ্যমের উপরে আরোপিত দায় পূরণ করতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস ।
পত্রিকাটির নামকরণও বেশ গুরুত্বপূর্ণ । আমি যতবার সিনেমাটি দেখেছি ততবার-ই প্রথম বারের মত আগ্রহ পেয়েছি । আশা করবো পত্রিকাটি এই নামের ভার বইতে পারবে । সেই দোয়াই থাকবে পত্রিকাটির জন্যে ।
তারপরে বক্তব্য রাখেন, প্রজন্ম ৭১ এর সংগঠক তৌহিদ রেজা নূর । তার বক্তব্য এমন, ‘আমরা নভেম্বর মাসে একটি আশার সংবাদের জন্যে এসেছি । তেমনি এ মাস আমাদের সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে লড়বার বার্তা দিচ্ছে ।
সম্প্রতি বিপুল রায়হান যমের হাত থেকে ফিরে এসেছে । আর তারপর এই এখন তার এই দৃঢ়চেতা বক্তব্য আমাদের আশা দিচ্ছে ।
আশা করব, পত্রিকাটি যেন নিরপেক্ষ না হয়ে যায় । এটি যেন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থেকে কাজ করে । লড়াই করে । আমরা একই ছত্রছায়ায় লড়াই করবার আশা করছি’।
তারপর শুভেচ্ছা বক্তব্যে সমাজকর্মী ও শহীদ তাজউদ্দিনের কন্যা মাহজাবিন আহমাদ মিমি বলেন, ‘জীবন থেকে নেয়ার প্রাণস্পন্দন বিপুল রায়হানকে শুভেচ্ছা জানাই । আর পত্রিকাটির আর্থিক সমস্যার আমরা সবাই মিলে সমাধান করব । তারপর তিনি পত্রিকার শুভকামনা জানিয়ে তার রচিত দুটি কবিতা পাঠ করেন।
সমকাল পত্রিকার ফিচার সম্পাদক মাহবুব আজীজ তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, ‘বিপুল আর আমি বন্ধু । আমরা অনেকটা পথ একত্রে হেঁটেছি । কিন্তু শেষমেশ দেখি আমরা অনর্থক হেঁটেছি । কারণ খুঁজে দেখি, আমাদের বলবার জায়গা নেই । লিখবার জায়গা নেই । কথা বলবার স্থান নেই । আমরা আমাদের শিক্ষক হুমায়ুন আজাদের মৃত্যুতে শোক করতে পারি নি । আমাদের বন্ধু দীপনের লাশ আমরা বইতে পারি নি । আমরা ভয় পাচ্ছিলাম, আমরা কোপের স্বীকার হব । আমরা নির্বিকার ছিলাম, আমাদের গায়ে লাগে নি । বরং আমরা তাদের দোষ দিচ্ছিলাম । অথচ আমরা বুঝতে পারছি না । এ হামলা আমাদের গায়েও আসবে ।
বিপুল বলেছেন, তার পত্রিকা অসাম্প্রদায়িক থাকবে, অথচ তিনি বলেন নি , পৃথিবীতে দুটো ধর্ম, ধনাঢ্যতা আর দারিদ্র্য । পৃথিবীর সব আক্রমণগুলো হচ্ছে গরীবের বিরুদ্ধে ।
আমি আশাবাদি, খুব কাছাকাছি একটা সময় এমন হবে, যখন বাংলাদেশের সরকার ও বিরোধী দল উভয়-ই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হবে । আর তখন মূল লড়াই হবে ধনাঢ্যতার বিরুদ্ধে দারিদ্র্যের । আমি চাইব জীবন থেকে নেয়া সে লড়াইয়ে দারিদ্র্যের পক্ষে থাকবে । তারপর ধনী-গরীব মুক্ত স্বদেশ পাব আমরা”।
এরপর শুভেচ্ছা জানান প্রজন্ম ৭১ এর সংগঠক ও শহীদ ডাঃ আলিম চৌধুরীর কন্যা ডাঃ নুজহাত চৌধুরী শম্পা । তিনি বলেন, ‘আমরা যারা শহীদ পরিবারের সন্তান তারা রক্তের ভাই-বোন । আমরা আমাদের বিধ্বস্ত অবস্থা দেখে অভ্যস্ত । তাই যখন দেখি কেউ পিতৃ-উত্তরাধিকার থেকে কিছু করছে, তখন গর্ব হয় ।
ভার্চুয়াল জগত আমাদের লড়াই করবার বড় জায়গা । সেখানেও আমরা মাইনরিটি । এরকম একটা জায়গায় লড়াই করবার প্লাটফর্ম তৈরি করাতে তাকে স্বাগত জানাই’।
অভিনেত্রী আফসানা মিমি শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে বলেন, ‘আমি জানি যুদ্ধটা কঠিন হবে । কারণ, যে কোন ভাল ও শুভ উদ্যোগ ধ্বংস করবার পায়তারা চলছে । আর্থিক-মানসিক সব ভাবে । আশা করি খুব শিগগির এটি দৈনিকের রূপ পাবে । শুভকামনা’।
সবশেষে সিনিয়র সাংবাদিক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহম্মদ শফিকুর রহমান তার বক্তব্য রাখেন ও অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানেন । তিনি বলেন, ‘বিপুল প্রথম যখন আমাকে পত্রিকাটির ব্যাপারে বলেছে, আমি বেশি আমার ভাবে আগ্রহ দেখাই নি , কিন্তু ভেতরে প্রবল আগ্রহ নিয়ে বসেছিলাম, কারণ এটি জহির রায়হানের সাথে জড়িত । বিপুল যে উদ্দেশ্য নিয়ে পত্রিকার আরম্ভ করছে তাতে আমি স্বপ্ন দেখছি ।অনলাইন পুরো পৃথিবীকে জড়িয়ে ফেলেছে । নামি-দামি পত্রিকাগুলো অনলাইনে বেদম কাজ করে যাচ্ছে । আমরা আশা করছি জীবন থেকে নেয়া তার উদ্দেশ্যে সফল হবে । আর আমি যতদিন প্রেসক্লাবের সভাপতি আছি ততদিন বিপুলের কাজে লাগতে পারলে ভাল লাগবে’।
আর তার বক্তব্যর মাধ্যমেই অনুষ্ঠানের কার্যত সমাপ্তি ঘটে ।
তারপর ছিল চা পর্ব ও উদীচীর পরিবেশনা । এতে পারফর্ম করেন, আকতার, বিপ্লব রায়হান, অবিনাশ বাউল, নাসিরুদ্দীন ও কঙ্কন নাগ ।

 

মীর হুযাইফা আল-মামদূহ

 

Views All Time
Views All Time
758
Views Today
Views Today
1
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular

সম্পাদক:

বিপুল রায়হান

১৩/২ তাজমহল রোড, ব্লক-সি, মোহাম্মদপুর,ঢাকা-১২০৭, ফোন : 01794725018, 01847000444 ই-মেইল : info@jibonthekenea.com অথবা submissions@jibonthekenea.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত জীবন থেকে নেয়া ২০১৬ | © Copyright Jibon Theke Nea 2016

To Top